পিনাকী চৌধুরী : সাধারণ ভাবে ১ জুন থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়কালে সারা দেশে বর্ষাকাল হিসেবে ধরা হয়। আবহাওয়া দফতরের হিসেবে গত ১ জুন থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে ২৫% । তবে আবহাওয়া দফতরের সমীকরণ অনুযায়ী সাধারণ ভাবে ১৯% কম বা বেশি বৃষ্টিপাতকে সাধারণ বৃষ্টিপাতের নিরিখেই ধরা হয় । যদিও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে চাষ আবাদের সমস্যা হয়েছে কিছু জায়গায়। কিন্তু গত অগাস্ট মাসে এবং এই সেপ্টেম্বর মাসে , অর্থাৎ বিদায় লগ্নে বর্ষা যেন কিছুটা হলেও সক্রিয় হয়েছে। সাধারণত দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এই চার মাস দেশে বৃষ্টিপাত হয় এবং এই জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের কৃষিকাজ নির্ভর করে। অনেকেই আশঙ্কা করছিলেন যে, এল নিনোর ( স্প্যানিশ শব্দ, যার অর্থ হল ছোট্ট ছেলে ) প্রভাবে বর্ষার দ্বিতীয় পর্বে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। কিন্তু আপাতত সারা দেশের নিরিখে সামান্য কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়াও বরাবরই দক্ষিণ বঙ্গের তুলনায় উত্তর বঙ্গে অনেক বেশি বৃষ্টিপাত হয়। এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়। পাশাপাশি এটাও বলতে হয়, এই সেপ্টেম্বর মাসের শেষ লগ্নে এসে আবারও বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে , সেক্ষেত্রে উপকূলীয় এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। যদিও এখন তা নিশ্চিত নয়, আবহাওয়াবিদেরা নজর রাখছেন। কিন্তু বিগত বেশ কয়েক বছরে আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনা দেখা যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *