দেবশ্রী মুখার্জী : কলকাতা, ১৩ মার্চ:ঐতিহ্যশালী কলকাতা প্রেস ক্লাবে আজ বৃহস্পতিবার বিকালে অনুষ্ঠিত হলো বসন্ত উৎসব, যেখানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সভাপতি মলয় পীট। ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশীষ সুর এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিদের সঙ্গে তিনি প্রদীপ জ্বালিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন।এই বিশেষ অনুষ্ঠানে বসন্তের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে প্রেস ক্লাব চত্বর। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বসন্ত উৎসব উদযাপন করা হয়, যেখানে উপস্থিত অতিথিরা বাঙালির ঐতিহ্যবাহী এই ঋতু পরিবর্তনের আনন্দে সামিল হন। সংগীত, কবিতা ও নৃত্যের মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়।শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের সভাপতি মলয় পীট তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বসন্ত উৎসব শুধুমাত্র ঋতুর পরিবর্তনের বার্তা নয়, এটি মানুষের হৃদয়ের আনন্দ ও ভালোবাসার প্রতিফলন। কলকাতা প্রেস ক্লাবের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে এমন এক সুন্দর আয়োজনে অংশ নিতে পেরে আমি গর্বিত।”তিনি বলেন, “শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সভাপতি হিসাবে, গর্বের সঙ্গে বলতে পারি — আমরা শুধুমাত্র চিকিৎসা সেবা প্রদানেই সীমাবদ্ধ থাকি না, বরং রাজ্যের সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মানোন্নয়নে একটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রাজ্যের সকল বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোম কতৃপক্ষকে যুক্ত করে, রাজ্য সরকারের সহযোগিতা ও সহমতের ভিত্তিতে, আমরা ২০২৭ সালের মধ্যে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেবার পরিকল্পনা নিয়েছি। আমরা সকলে মিলে এমন পরিকাঠামো ও পরিষেবার উদ্যোগ নিচ্ছি যাতে চিকিৎসার জন্য আমার-আপনার জেলার কোন ব্যক্তিকে রাজ্যের বাইরে যেতে হয়।”তিনি আরও বলেন, “বর্তমান এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে, সারা বিশ্বে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই বিপুল উন্নতি হয়েছে। প্রযুক্তি কে ব্যবহার আগামীদিনে টেলিমেডিসিন, টেলি-প্যাথলজি, টেলি রেডিওলজি, টেলি আইসিইউ এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে কাজে লাগিয়ে গোটা বিশ্বে আমরা স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারব।”রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নের কাজে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশীষ সুরও অনুষ্ঠানে তাঁর অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “প্রেস ক্লাব বরাবরই সাংস্কৃতিক চেতনার বিকাশ ঘটানোর ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বসন্ত উৎসবের মাধ্যমে আমরা বাংলা সংস্কৃতির রঙিন ঐতিহ্যকে উদযাপন করছি | অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।



